কৃত্রিম উদ্ভিজ্জ বংশবিস্তার হল এক ধরনের উদ্ভিদের প্রজনন যাতে মানুষের হস্তক্ষেপ জড়িত থাকে। কৃত্রিম উদ্ভিজ্জ প্রজনন পদ্ধতির সবচেয়ে সাধারণ প্রকারের মধ্যে রয়েছে কাটা, লেয়ারিং, গ্রাফটিং, চুষা এবং টিস্যু কালচারিং। … কাটা: গাছের একটি অংশ, সাধারণত একটি কান্ড বা পাতা, কেটে রোপণ করা হয়।
উদ্ভিজ্জ বংশবিস্তার একটি কৃত্রিম পদ্ধতি?
কৃত্রিম উদ্ভিজ্জ বংশবিস্তার পদ্ধতি - কাটিং (স্টেম কাটার মাধ্যমে) - সংজ্ঞা। কৃত্রিম উদ্ভিদের বংশ বিস্তারের সাধারণ পদ্ধতি হল কাটিং, গ্রাফটিং, বাডিং এবং লেয়ারিং। কাটিং হল কান্ডের একটি অংশ অপসারণ করা এবং এটিকে মাটিতে স্থির করা যাতে শিকড় এবং কুঁড়িগুলি অঙ্কুরে বৃদ্ধি পায়।
ভেজিটেটিভ বংশবিস্তার এবং কৃত্রিম বংশবৃদ্ধির মধ্যে পার্থক্য কী?
1. সংজ্ঞা প্রাকৃতিক উদ্ভিজ্জ বংশবিস্তার: প্রাকৃতিক উদ্ভিজ্জ বংশবিস্তার বলতে মানুষের হস্তক্ষেপ ছাড়াই একটি নতুন উদ্ভিদের প্রাকৃতিক বিকাশকে বোঝায়। কৃত্রিম উদ্ভিজ্জ বংশবিস্তার: কৃত্রিম উদ্ভিজ্জ বংশবিস্তার বলতে বোঝায় মানুষের হস্তক্ষেপের মাধ্যমে নতুন উদ্ভিদের কৃত্রিম বিকাশ।
কোনটি উদ্ভিজ্জ বংশবিস্তার কৃত্রিম পদ্ধতি নয়?
উত্তর: নিম্নলিখিতগুলির মধ্যে সংকরকরণ 'উদ্ভিদ বংশবিস্তার' একটি 'কৃত্রিম পদ্ধতি' নয়। ব্যাখ্যা: হাইব্রিডিজেশন হল একটি কৌশল যা 2টি ভিন্ন ভিন্ন একত্রিত করে একটি প্রজাতি গঠনে সাহায্য করে।প্রজাতি।
ভেজিটেটিভ বংশবৃদ্ধির উদাহরণ কি?
উত্তর: বেগোনিয়া এবং ব্রায়োফাইলাম পাতার মাধ্যমে উদ্ভিজ্জ বংশবৃদ্ধির উদাহরণ। এটি অযৌন প্রজননের একটি রূপ যেখানে পাতার প্রান্তে বেড়ে ওঠা কুঁড়ি থেকে নতুন উদ্ভিদ জন্মায়। এই কুঁড়িগুলি প্রকৃতিতে প্রজননশীল এবং মাটিতে পড়লে এগুলি অঙ্কুরিত হয় এবং একটি নতুন উদ্ভিদ তৈরি করে৷